,
সংবাদ শিরোনাম :
» « ঠাকুরগাঁও জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি মকবুল হোসেন বাবুর ইন্তেকাল» « পঞ্চগড়ের রাবার ড্যামটি অকার্যকর হওয়ায় এলাকা প্লাবিত» « পঞ্চগড়ে চা চারা চুরির অভিযোগে মামলা» « এরশাদের মৃত্যুতে রেলপথ মন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ» « সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পঞ্চগড়ে প্রবল বর্ষণ ও ঝড়ো হাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি» « খুলনার দাকোপের লাউডোবে রুপান্তরের আয়োজন কিশোর- কিশোরীদের সু-স্বাস্থ্য সুরক্ষিত পরিবেশ প্রতিষ্ঠা বিষয়ক ক্যাম্পাইন অনুষ্ঠিত» « সারাদেশে অব্যাহত সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে সোনাগাজী রিপোর্টার্স ইউনিটির মানববন্ধন» « ঠাকুরগাঁও গড়েয়ায় জুয়ার আসর আগুনে পুড়িয়ে দিল ওসি আশিকুর রহমান» « সাংবাদিক রাসেদুল ইসলাম রাসেল নিখোঁজ» « সোনাগাজীর ছাড়াইতকান্দি হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন- মাসুদ চৌধুরী এমপি

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাণীশংকৈলে নিম্ন মানের আইসক্রিম তৈরী

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় অনুমোদনহীন বরফ মিলের আঁড়ালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে শিশুদের জনপ্রিয় খাবার আইসক্রিম। নিম্ন মানের এ আইসক্রিম খেয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে উপজেলার কোমলমতি শিশুরা। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় পৌরসভার ২টি বরফ মিলেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি হচ্ছে। আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে গিয়ে দেখা গেছে, বালতিতে মেশানো রয়েছে আইসক্রিম তৈরির জন্য ক্ষতিকারক রং। বাঁশের ঝুড়িতে রয়েছে আইসক্রিম আর অপরিস্কার বালতিতে খালি হাতেই মেশানো হচ্ছে সব ক্ষতিকারক উপকরণ। পানি রাখার হাউসে রয়েছে লবণ মেশানো নোংরা পানি। ঢাকনা দেয়া হয়েছে কাঠ দিয়ে। এমনকি হাউসের ভেতরের পানি অনেক দিন আগের। তৈরিকৃত আইসক্রিম চাঁচ থেকে তুলে ময়লা হাতেই রাখা হচ্ছে বাঁশের তৈরি ঝুড়িতে। এ ছাড়া আইসক্রিম তৈরির কারিগরদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো পোশাক নেই। মিলের কারিগরদের পাশাপাশি আইসক্রিম বিক্রেতারাও তৈরি করছেন আইসক্রিম। জুতা পায়ে ঘর্মাক্ত শরীরে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। বন্দর নিরালা আইসক্রিম মিলসহ অন্য আইসক্রিম মিলে একই চিত্র চোখে পড়ে। এ ছাড়া পৌর সদরের বাইরে ইউনিয়নগুলোতে গড়ে ওঠা আইসক্রিম মিলের পরিবেশের অবস্থা আরো করুণ। লেবেলের প্যাকেটে ঢাকার নাম বা অনান্য আইসক্রিমের নাম থাকলেও ভিতরে রাণীশংৈ লে আইসক্রিম ভরিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারনা করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত না করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিয়ে আইসক্রিম তৈরিতে তেমন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করছে না। ফলে শিশুরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতেই রয়েছে। তৈরিকৃত এ আইসক্রিম বিশেষ করে গরমের সময় কাঠের বাক্সে করে সাইকেল-রিকশায় মাইক লাগিয়ে আকর্ষণীয় প্রচারের মাধ্যমে নিয়ে যাওয়া হয় গ্রাম-পাড়ার রাস্তার মোড়ে, হাটবারে এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের সামনে। প্রতিটি আইসক্রিম বিক্রি হয় ৩ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। প্রচন্ড দাবদাহে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও খাচ্ছেন এই আইক্রিম। ফলে প্রতিনিয়তই আমাশয়, ডায়রিয়া, সর্দি-কাশিসহ নানা পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুসহ নানা বয়সের মানুষ। মোহনা বরফ মিলের স্বত্তাধিকারী মানিক মাষ্টার অভিযোগের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, আসলে ব্যবসায় লস বেশি ভাল নাই কি করি বলেন। অপরদিকে নিরালা আইসক্রিম ফ্যাক্টরির মালিক কানু বসাক, সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমাদের বিএসটিআইর কোনো অনুমোদন নেই। তবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নভাবে আইসক্রিম তৈরি করার চেষ্টা করব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ্মৌসুমী আফরিদা জানান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি করার প্রমান পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com