,
সংবাদ শিরোনাম :
» « ঠাকুরগাঁও জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি মকবুল হোসেন বাবুর ইন্তেকাল» « পঞ্চগড়ের রাবার ড্যামটি অকার্যকর হওয়ায় এলাকা প্লাবিত» « পঞ্চগড়ে চা চারা চুরির অভিযোগে মামলা» « এরশাদের মৃত্যুতে রেলপথ মন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ» « সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পঞ্চগড়ে প্রবল বর্ষণ ও ঝড়ো হাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি» « খুলনার দাকোপের লাউডোবে রুপান্তরের আয়োজন কিশোর- কিশোরীদের সু-স্বাস্থ্য সুরক্ষিত পরিবেশ প্রতিষ্ঠা বিষয়ক ক্যাম্পাইন অনুষ্ঠিত» « সারাদেশে অব্যাহত সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে সোনাগাজী রিপোর্টার্স ইউনিটির মানববন্ধন» « ঠাকুরগাঁও গড়েয়ায় জুয়ার আসর আগুনে পুড়িয়ে দিল ওসি আশিকুর রহমান» « সাংবাদিক রাসেদুল ইসলাম রাসেল নিখোঁজ» « সোনাগাজীর ছাড়াইতকান্দি হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন- মাসুদ চৌধুরী এমপি

পঞ্চগড়ে মৎস্য বিভাগের অধীনে ৮৪ লাখ টাকা ব্যায়ে ২৭টি পুকুর পুন:খনন সম্পন্ন বিলুপ্ত ছিটমহল অগ্রাধিকার

পঞ্চগড় প্রতিনিধি\ সরকারের মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পঞ্চগড়ে ২৭ টি পুকুর পূন:খনন সম্পন্ন করেছে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিলুপ্ত ছিটমহলের পুকুরগুলিকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।পঞ্চগড় জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, রংপুর বিভাগে মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্পের অওতায় দেশী প্রজাতির মাছ সহ সব ধরনের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মানুষের মাছের চাহিদা পূরনে সরকার সারা দেশে জলাশয় ও পুকুরপূন:খনন কাজে গুরুত্বারোপ করে বেশ কিছু কর্ম পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এরই ধরাবাহিকতায় পঞ্চগড়ে ছাট-বড় ২৭টি পুকুর পূন:খননের কর্মসূচী হাতে নেয়া হয়।এর মধ্যে শুধুমাত্র পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিলুপ্ত গাড়াতি ছিটমহল সহ দেবীগঞ্জ উপজেলার বেউলাডাঙ্গা ও দহলাখাগড়াবাড়ীর অভ্যন্তরে মোট ২৩টি পুকুর ও জলাশয় পূন:খনন করা হয়েছে।এসব পুকুর জলাশয় পূন:খনন করেছে কিছু ঠিাকাদারী প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তি। যেমন; এস,এম মাহফুজুল হক, জাকিয়া খাতুন, কামরুল ইসলাম ও তোফাজ্জল হোসেন। তাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা অনুসারে এসব কাজ করা হয়। এতে মাঠ তদারকী করেন জেলা মৎস্য বিভাগের প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম। তিনি মাটির ঘনত্বের মাপযোগ নিয়ম অনুসারে হিসাব বিবরন দাখিল করেন। কাজ চলাকালীন পুকুরের পাশে সাউনবোর্ড টাঙ্গানো হয়।পুকুর খননের পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ঠিকাদার জাকিয়া খাতুন বলেন, আমি জনকল্যাণে সুন্দর ভাবে নিয়ম মেনে পুকুরটি পূন:খনন করি। এতে আমার তেমন লাভ হয়নি।ঠিকাদার এস,এম, মাহফুজুল হক বলেন, নিয়ম মাফিক কাজ করেছি। যেখানে কাজ কম হয়েছে সেখানে বিল কম পেয়েছি।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. আফতাব উদ্দীন বলেন, সরকার মৎস্য উন্নয়নে একটি যুগোপযোগি পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে ভরাট হওয়া পুকুর গুলির উন্নয়ন হচ্ছে, তেমনি পাশাপাশি মাছের উৎপাদন অধিকহারে বাড়ছে। আমি প্রতিনিয়ত সব পুকুর পরির্দশন করেছি। এবং নিয়ম নীতি মেনেই কাজ করা হয়েছে। ঠিকাদারের অনিয়ম করার কোন সুযোগ নেই।তিনি অরো বলেন, আশারাখি বর্ষার বৃষ্টিতেই জলাশয় -পুকুরে প্রকৃতির নিয়মেই মাছের উৎপাদন হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com