,
সংবাদ শিরোনাম :
» « ঠাকুরগাঁও জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি মকবুল হোসেন বাবুর ইন্তেকাল» « পঞ্চগড়ের রাবার ড্যামটি অকার্যকর হওয়ায় এলাকা প্লাবিত» « পঞ্চগড়ে চা চারা চুরির অভিযোগে মামলা» « এরশাদের মৃত্যুতে রেলপথ মন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ» « সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পঞ্চগড়ে প্রবল বর্ষণ ও ঝড়ো হাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি» « খুলনার দাকোপের লাউডোবে রুপান্তরের আয়োজন কিশোর- কিশোরীদের সু-স্বাস্থ্য সুরক্ষিত পরিবেশ প্রতিষ্ঠা বিষয়ক ক্যাম্পাইন অনুষ্ঠিত» « সারাদেশে অব্যাহত সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে সোনাগাজী রিপোর্টার্স ইউনিটির মানববন্ধন» « ঠাকুরগাঁও গড়েয়ায় জুয়ার আসর আগুনে পুড়িয়ে দিল ওসি আশিকুর রহমান» « সাংবাদিক রাসেদুল ইসলাম রাসেল নিখোঁজ» « সোনাগাজীর ছাড়াইতকান্দি হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন- মাসুদ চৌধুরী এমপি

পঞ্চগড়ের ঝুঁকিপূর্ণ করতোয়া সেতু পরিদর্শন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি\ পঞ্চগড়ের সাথে একমাত্র চলাচলের সংযোগ মহাসড়ক ঝুঁকিপূর্ণ করতোয়া সেতু পরিদর্শন করেছেন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। বুধবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত করতোয়া সেতুর ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার ইউসুফ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল মান্নান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাঈমুল হাছান, পৌর মেয়র তৌহিদুল ইসলাম ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম।

এ সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল মুকিত, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন জানান, আসলেই সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সংস্কার করে দেওয়ার জন্য আমরা চিঠি পাঠাবো। একই সাথে ওভার লোড নিয়ন্ত্রণের হাইওয়ে পুলিশকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক।

তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল মুকিত জানান, সেতুটির ওয়েরিং কোর্স উঠে গেলেও সেতুটি মূল কাঠামো ঠিক আছে। সেতু বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেতুটি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই সেতুটির সংস্কার করা হবে।

উলে­খ্য, ১৯৮৮ সালে পঞ্চগড় জেলা শহরের প্রবেশ মুখে করতোয়া নদীর ওপর ২৭৫ মিটার করতোয়া সেতু নির্মাণ করা হয়। শহরের কোল ঘেঁষে নির্মিত সেতুটিই হয়ে ওঠে পঞ্চগড়ের সাথে দেশের অন্য প্রান্তের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। জেলা শহরে প্রবেশের একমাত্র পথ এটি। ১৯৯৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর নেপালের সাথে এবং ২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি ভারতের এবং ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি ভুটানের আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম চালু হয়। এরপর থেকে প্রতিদিন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর থেকে পাথরসহ ভারি ভারি পণ্য নিয়ে সহস্রাধিক ট্রাক দেশের স্থানে পৌঁছে দিচ্ছে। পণ্যবাহী ট্রাকগুলো নির্ধারিত ওজন সীমার কয়েকগুণ বেশি পণ্য নিয়ে সেতুটির উপর দিয়ে চলাচল করছে। এতে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।

স¤প্রতি ওভার লোডিং ও ভারি বর্ষণে সেতুটির ওপরে থাকা ওয়েরিং কোর্স উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, কোথাও কোথাও রড বেড়িয়ে গেছে। বার বার সড়ক বিভাগ সংস্কার করলেও তা টিকছে না। এতে জন সাধারন বেশ ক্ষুদ্ধ মনোভাব প্রকাশ করছে। এই সেতুটির সাথে দিনাজপুর-ঢাকা একমমাত্র যানচলাচল করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com