,
সংবাদ শিরোনাম :
» « ঠাকুরগাঁওয়ে ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট» « ইতালীতে ৪ বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ» « ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় ভুমি কর্মকর্তা নিহত» « ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের গুলিতে মাদক ব্যবসায়ী নিহত: দুই পুলিশ আহত» « বিরোধী দলকে দমন করতেই সরকার আইনশৃংখলা বাহিনীকে ব্যবহার করছে -বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল» « অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেস ক্লাবের প্যারিসে ইফতার মাহফিল» « ইতালীতে বই মেলায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব» « বাংলাদেশে পোল্যান্ড দূতাবাস স্থাপন ও পোল্যান্ড সরকারের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে কাজ করছে বাংলাদেশ সরকার» « ঠাকুরগাঁও বিএডিসি শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি» « ঠাকুরগাঁওয়ে প্রযুক্তিগত শিক্ষা অর্জনের ভুমিকা সেমিনার

স্পোর্টিংকে হারিয়েই শেষ ষোলয় গেল বার্সা

আলোরকন্ঠ রিপোটঃ ন্যু ক্যাম্পে আর্নেস্তো ভালভার্দের একাদশ দেখে অনেকেই দ্বন্দ্বে পড়ে গিয়েছিলেন। এটা কোন দল আবার? বার্সেলোনার একাদশ তো? লুইস সুয়ারেজ, ইভান র্যাকিটিক এবং জেরার্ড পিকে- সর্বোপরি ঐতিহ্যবাহী নেভি ব্লু এবং রয়্যাল মেরুন রংয়ের জার্সিটা না থাকলে হয়তো কারও কারও চিনতেই কষ্ট হতো বার্সাকে।

স্পোর্টিং লিজবনের সামনে এমন অচেনা বার্সেলোনাও ছিল দুর্দান্ত। আর্নেস্তো ভালভার্দে যে তার রিজার্ভ বেঞ্চের শক্তি প্রদর্শণ করতে চাইলেন এবং প্রতিপক্ষকে একটা বার্তা দিয়ে রাখলেন, তাতে তিনি অনেক বেশি সফল বলা যায়।

অচেনা বার্সেলোনাই সফরকারী স্পোর্টিং লিজবনকে হারিয়ে দিলো ২-০ গোলে। যার একটি করেছেন পাকো আলকাসের। অন্যটি এসেছে আত্মঘাতি থেকে। স্পোর্টিংয়ের জেরেমি ম্যাথিউ নিজেদের জালেই বল প্রবেশ করিয়ে দিলেন। ফলে ‘ডি’ গ্রুপ থেকে সর্বোচ্চ ১৪ পয়েন্ট নিয়েই উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউটে গেলো লিওনেল মেসির দল বার্সেলোনা।

শীর্ষস্থান আগেই নিশ্চিত ছিল বার্সার। শেষ ম্যাচটি তাই ছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতার। এ কারণেই লিওনেল মেসিসহ একঝাঁক ফুটবলারকে বসিয়ে রেখেই তাই একাদশ সাজিয়েছিলেন বার্সা কোচ। যদিও সেরা তারকাকে ছাড়া আক্রমণভাগে শুরুতে ভুগতে দেখা যায় বার্সাকে। চিরাচরিত নিয়মে প্রথমার্ধে দুই-তৃতীয়াংশ সময় বল দখলে রাখলেও গোলের কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা।

বিরতির পরও একই অবস্থা। তবে ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে গোলের সুযোগ তৈরি করে বার্সা। এ সময় ডেনিস সুয়ারেজের কর্নারে হেডে গোলটি করেন পাকো আলকাসের। প্রথম গোলের দুই মিনিট পরই মাঠে নামেন মেসি। বসিয়ে দেয়া হয় আলেইশ ভিদালকে। মেসি নামার পরপরই গোল খেতে খেতে বেঁচে যায় বার্সা। ছয় গজ বক্সের মধ্য থেকে বাস দস্তের শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ইয়াসপের সিলেসেন।

৮২তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে মেসির জোরালো বাঁকানো শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন স্পোর্টিং গোলরক্ষক রুই প্যাত্রিসিও। সাত মিনিট পর আলকাসেরের কোনাকুনি শট এক জনের পায়ে লেগে দিক পাল্টে অল্পের জন্য রক্ষা পায় স্পোর্টিং। নির্ধারিত সময়ের পর, যোগ করা সময়ে নিজেদের ভুলে দ্বিতীয় গোলটি খায় স্পোর্টিং। বাঁ-দিক থেকে সুয়ারেজের ক্রস ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালে পাঠান সাবেক বার্সেলোনা ডিফেন্ডার জেরেমি মাথিউ। ৭ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় হওয়া স্পোর্তিং খেলবে ইউরোপা লিগে। আগেই সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাওয়া অলিম্পিয়াকোসের পয়েন্ট ১।

গ্রুপ ‘ডি’-এর আরেক ম্যাচে গ্রিসের ক্লাব অলিম্পিয়াকোসকে ২-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বে বার্সেলোনার সঙ্গী হয়েছে জুভেন্তাস। গতবারের রানার্সআপদের হয়ে দুই গোলদাতা হলেন হুয়ান কুয়াদরাদো ও ফেদেরিকো বের্নাদেসচি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com