,
সংবাদ শিরোনাম :

ইতালীতে সঠিক পরির্চ্চা ও তদারকির অভাবে শহীদ মিনার ধ্বংশে মুখে

জাকির হোসেন সুমন , ব্যুরো চচীফ ইউরোপ :ইউরোপিয়ান দেশগুলির মধ্যে ইউকে‘র পর ১ম এবং ২য় স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মিত হয় ইতালীতে কিন্তু সঠিক পরির্চ্চা ও তদারকির অভাবে যার ২টিই এখন ধ্বংশে মুখে।
ইতালিতে স্থায়ীভাবে প্রথম শহীদ মিনারটি নির্মিত হয় অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের পাড়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বারিতে ২০১০ সালে। আর ২০১১ সালে রোমের পারিওলিতে লারগো বাংলাদেশ বা বাংলাদেশ চত্বরের পাশে তৈরি হয় ইতালির দ্বিতীয় স্থায়ী শহীদ মিনার।
বারি‘র এই শহীদ মিনার ২০০৮ সালে নির্মানের অনুমতি মেলে এবং বরাদ্দকৃত স্থান লারগো দু যোন পার্কে দুই বছরের মধ্যে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। যা ২০১০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ততকালীন ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী এই শহীদ মিনারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
অন্যদিকে রোমে স্থায়ী শহীদ মিনারটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় ২০১১ সালে এবং সে বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি তা উদ্বোধন করেন ততকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা: দীপু মনি। এর দুই দিন পর একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানে ওই শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং আলোচনায় অংশ নেন ইতালি সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিস স্টেফানিয়া গ্যাব্রিয়েলা অ্যানাস্তাসিয়া ক্র্যাক্সি।
ঢাকার জাতীয় শহীদ মিনারটির একই আদলে তৈরি হয় রোমের শহীদ মিনার। এর নকশায় মাঝের স্তম্ভ¢টিতে রয়েছে বাংলায় ‘মা’ কথাটি খোদাই করা লেখা। এই নকশার আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, শহীদ মিনারে বিশ্বের ৫০৭টি ভাষার নাম লেখা আছে।
দুর্ভাগ্য জনক হলেও সত্যি দুইটি স্থায়ী শহীদ মিনারই সঠিক পরিচচ্চার অভাবে প্রায় ধ্বংশের মুখে। বর্তমানে বারি শহরের স্থায়ী শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের সম্মান জানানোর অবস্থা থাকলেও রোমের স্থায়ী শহীদ মিনারে প্রায় ৪ বছর ধরে শহীদদের সম্মান জানানো হচ্ছে না। দূতবাস থেকে বিভিন্ন সময় উদ্দ্যেগ নেয়ার কথা জানালেও বাস্তবে তা এখনো মুখথুবরে পড়ে আছে ধ্বসে যাওয়ার মাটির শেষাংশে।
রোমের বাংলাদেশীদের অহংকার করা ভাষা আন্দোলনের নিদর্শন সম্মান জানানো পরিবর্তে পরে আছে পরিত্যাক্ত অবস্থায়। এ অবস্থা থেকে বাংলাদেশ দূতাবাস কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রতি প্রবাসীদের আহ্বান যতদ্রুত সম্ভব এই শহীদ মিনারকে রক্ষা করার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com