,
সংবাদ শিরোনাম :
» « ঠাকুরগাঁওয়ে ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট» « ইতালীতে ৪ বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ» « ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় ভুমি কর্মকর্তা নিহত» « ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের গুলিতে মাদক ব্যবসায়ী নিহত: দুই পুলিশ আহত» « বিরোধী দলকে দমন করতেই সরকার আইনশৃংখলা বাহিনীকে ব্যবহার করছে -বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল» « অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেস ক্লাবের প্যারিসে ইফতার মাহফিল» « ইতালীতে বই মেলায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব» « বাংলাদেশে পোল্যান্ড দূতাবাস স্থাপন ও পোল্যান্ড সরকারের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে কাজ করছে বাংলাদেশ সরকার» « ঠাকুরগাঁও বিএডিসি শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি» « ঠাকুরগাঁওয়ে প্রযুক্তিগত শিক্ষা অর্জনের ভুমিকা সেমিনার

ইতালীতে বই মেলায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব

জাকির হোসেন সুমন , ব্যুরো চীফ ইউরোপ : গত ১৪ ই মে ইতালীর তরিনো শহরে জমকালো আয়োজনে উদযাপিত হয়ে গেল আন্তর্জাতিক বইমেলা।
বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহনের মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক এ বইমেলা। ৩১ বছর যাবৎ তরিনো শহরে প্রদর্শন করে যাচ্ছে এ বইমেলা। ইতালীয় ভাষায় যার নাম হচ্ছে salone internazionale del libro di Torino. Daniela Finocchi র হাত ধরে ২০০৮ সাল থেকে অভিষেক ঘটে এপ্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের !
এ বইমেলাটি উদযাপিত হয় বিভিন্ন দেশের প্রকাশনীর অংগ্রহনের মাধ্যমে, যেসব দেশ অংশগ্রহন করেছে তারা হল ইতালী, আফ্রিকা, ইন্ডিয়া,আফগানিস্তান, মারোক্কো, চীন, পলোনিয়া, জার্মানি,আরো অসংখ্য দেশের অংশগ্রহনের মাধ্যমে আলোকিত হয়েছিল বইমেলা। যদিও দেখা যায়নি বাংলাদেশী কোনও প্রকাশনী!
আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০০৮ সাল থেকে শুরু করেছল ভিন্ন দেশীয় ভাষাভাষীর লেখক এবং সাংবাদিকদের নিয়েএক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান।
মেধা থাকলে দমিয়ে রাখা যায়না তেমনি একজন তাহমিনা ইয়াসমিন শশী । তিনি cattolica sacro del cuore university থেকে গনমাধ্যম বিভাগ থেকে পরাশোনা করেন, এবং এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেন!
২০১৭ সালে তিনি প্রথম বাংলাদেশী লেখক হিসেবে তিনি পুরস্কৃত হন আন্তর্জাতিক বইমেলা থেকে। তার লিখা ইতালীর এক বিখ্যাত প্রকাশনী giuria edizione থেকে বই আকারে প্রকাশিত হয়েছিল, যে বই পাওয়া যাচে্ছ ইতালীর বিভিন্ন পাঠাগারে এবং অনলাইনে.
গত বছরের ন্যায় চুলচেরা বিচার বিশ্লেষনের পর চুরান্ত ফলাফলে শশী হয়েছন বিজয়ী।
২০১৮ সালে তিনি প্রবাসে হাজারও কর্মব্যস্তার মাঝে অংশগ্রহণ করেন এ প্রতিযোগিতায়। এ বছর ও তিনি স্বক্ষম হয়েছেন বিজয় ছিনিয়ে আনার, সহজ ছিলনা বিভিন্ন দেশের লেখকদের মধ্যে বিজয়ী হওয়া।
প্রথম বাংলাদেশী লেখক হিসেবে তিনি পুরষ্কৃত হয়েছেন।হাজারো প্রতিযোগীকে টপকে বাংলাদেশকে করেছেন আলোকিত ।
কবির লেখার লাইন ধরে বলতে হয় “দশ জনে পারে যাহা তুমিও পারো তাহা! চেষ্টা থাকতে হবে। যদি লক্ষ থাকে অটুট বিশ্বাস হ্রদয়ে তুমিও পৈাছতে পারো বিজয়ে!
এ অর্জন শুধু শশীর নয় পুরো বাংলাদেশের! প্রবাসের মাটিতে এ যেন এক টুকরো বাংলাদেশ। বিশেষ সুত্রে যানা যায় শশী ইতালীতে ইমিগ্রেশন অফিস, ট্রাইবুনাল, পুলিশ স্টেশন, হাসপাতাল, এবং স্কুলে অনুবাদক হিসিবে কাজ করেন।
শশীর এ অর্জন হয়তো নতুন প্রজন্মকেও উৎসাহিত করবে অনলাইন থেকে বইমুখী হতে!
নয়ত এই দিন আর বেশ দুরে নয়
যেদিন থাকবেনা আর কাগজের বই!
২১ শের বইমেলা আর পাবনা আর নতুন বইয়ের ঘ্রান!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com