,
সংবাদ শিরোনাম :
» « পঞ্চগড়ের উপড় দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত ফেন্ডশিপ পাইপ লাইন হচ্ছে» « মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আসমা ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িতদের ফাসিঁর দাবীতে পঞ্চগড়ে সহপাঠীদের মানববন্ধন» « খরা আর অতিবর্ষনে আমনচাষীরা দিশেহারা» « ঠাকুরগাঁওয়ে চিনি কল কেন্দ্রীয় আখচাষী সমীতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ» « ঠাকুরগাঁওয়ে আবারো সড়ক দুর্ঘটনা; নিহত ১ আহত ১০» « রাণীশংকৈলে আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো জেলা ইজতেমা» « প্রেমিক বাঁধন পুলিশের হাতে আটক; স্বীকারোক্তি ৫ যুবক আসমাকে ধর্ষন করে হত্যা করেছে» « দেবীগঞ্জে তিস্তা নদী হতে নিখোঁজ দুই শিশুর লাশ উদ্ধার স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া» « হরিপুর উপজেলায় ৬নং ভাতুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত» « খুলনার দাকোপের বানীশন্তায় নবযাত্রা প্রকল্পের সহযোগিতায় সুশীলনের আয়োজনে ইন্টারফেইজ মিটিং অনুষ্ঠিত

বুলেট ট্রেন চালু হলে বাংলাদেশর অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনা

আলোরকন্ঠ রিপোর্টঃ চীনের কুনমিং প্রদেশ থেকে বাংলাদেশ ও মায়ানমার হয়ে কলকাতা পর্যন্ত একটি বুলেট ট্রেন চালু করার পরিকল্পনা করছে চীনের সরকার। গত বুধবার কলকাতায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের কনসাল জেনারেল মা হান এসব কথা বলেন বলে ভারতের এনডিটিভির এক খবরে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ভারত এবং চীনের যৌথ উদ্যোগে কলকাতা এবং কুনমিং এর মধ্যে একটি উচ্চগতি সম্পন্ন রেল সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব’। এসময় তিনি এই রেল সংযোগটি বাস্তবায়িত হলে কুনমিং থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাংলাদেশ ও কলকাতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করেন।

মা হান বলেন, ‘২৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ওই রেলপথের বিভিন্ন অংশে শিল্প কারখানা গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। তাতে যেসব দেশের ওপর দিয়ে এই রেলপথ যাবে, তাদের সবারই অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিশেষ সম্ভাবনা থাকবে‘।

এই রেলপথের লক্ষ্য বিসিআইএম (বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার) করিডোরে আন্তঃবাণিজ্য বাড়ানো উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘কলকাতা থেকে কুনমিং পর্যন্ত ইতিহাসের সেই সিল্ক রুট পুনরুদ্ধারে চীন বদ্ধপরিকর’।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমানে চিনের সাথে আমাদের এক বিশাল বানিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। চিন থেকে প্রচুর ইলেকট্রনিক পণ্য আমদানি করা হচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বানিজ্যিক ভাবে লাভবান হবার সুযোগ রয়েছে। এই রুটে চিন ও ভারতের অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে।

এ রেল পথ চালু হলে কম সময়ে ও স্বল্প খরচে ভারত ও চিনে ভ্রমণ করা যাবে, আমদানি রপ্তানি কাজ আরও সহজ হবে। চিনের সাথে বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে দেশে চিনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে অবদান রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com