,
সংবাদ শিরোনাম :
» « ঠাকুরগাঁওয়ে টেকসই উন্নয়ন দক্ষতা সম্মেলন অনুষ্ঠিত» « রাণীশংকৈলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক শিশুর মৃত্যু» « রাণীশংকৈলে ঈদ পুনর্মিলনীতে জালাল উদ্দীনের নাটক “এই গ্রামে”» « রাণীশংকৈলে দিন মুজুর জাহিদুল বাঁচতে চায় সু-চিকিৎসার জন্য এগিয়ে আসুন» « পঞ্চগড়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে অবহিতকরন সভা» « পঞ্চগড়ে তীব্র গরমে জনজীবনে চরমদূর্ভোগ; আবহাওয়া দপ্তর বলছে শনিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা» « দেবীগঞ্জে সড়ক র্দূঘটনায় স্বামী- স্ত্রী নিহত» « ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলার সফল নারী উদ্যোক্তা বণিতা রাণী সরকার» « রাণীশংকৈলে উচ্ছেদ অভিযানে ইতিহাস গড়লেন এসি ল্যান্ড» « পঞ্চগড়ে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণে সভা অনুষ্ঠিত

পঞ্চগড়ে উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রচারনায় বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ; তদন্ত

পঞ্চগড় প্রতিনিধি\ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে চার প্রার্থীই পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারনা চালালেও এতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন সদ্য বিএনপি থেকে বহিস্কৃত এক স্বতন্ত্র প্রার্থী।

গত ৩ ফেব্রুয়ারী এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু দাউদ প্রধান।

অভিযোগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারী উপজেলার কামাত-কাজলদিঘী ইউনিয়নের টুনিরহাট বটতলী এলাকায় ৫/৬ জন ব্যক্তি তার প্রচার মাইক বন্ধ করে দেওয়াসহ প্রচারকারীদের হুমকি-ধামকি দেওয়ার কথা উলে­খ করেছেন তিনি।

আবু দাউদ প্রধান বলেন, ‘আমি সুষ্ঠু ভোট হবে এই আশা নিয়েই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আমি গত নির্বাচনে এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে অল্প কিছু ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছি। এবার সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমি বিজয়ী হব। আমার প্রত্যাশা আমি নির্বাচিত হলে মাদক মির্মূল করে যুব সমাজকে অপসংস্কৃতি থেকে মুক্ত করবো। একটি আদর্শ উপজেলা পরিষদ গড়ে তুলবো। তবে এখন আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা স্বতস্ফূর্তভাবে চালাতে পারছিনা। বিভিন্ন এলাকায় আমার প্রচার মাইক বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর উপস্থিতিতেই তাদের নির্বাচনী সভায় কিছু কিছু বক্তা আমাকে হুমকি দিচ্ছেন। আমি যেকোনো সময় তাদের হামলার শিকার হতে পারি। প্রচারণা বন্ধ করে দিয়ে হুমকি দেওয়ার ব্যাপারে আমি রির্টানিং কর্মকর্তার বরাবরে একটি অভিযোগ দাখিল করেছি।’

এদিকে, আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী হিসেবে শুধু নৌকার প্রচারণা চালাচ্ছি। নির্বাচনে উপজেলা জুড়ে নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় মানুষ নৌকায় ভোট দিতে চায়। এই গণজোয়ার দেখে মোটরসাইকেল প্রতিকের প্রার্থী এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন। তিনি বিএনপি থেকে বহিস্কৃত হয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সমর্থন এবং জনগণের সাড়া না পেয়ে এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। আমার জানা মতে, আমার উপস্থিতিতে কোন বক্তা তার বিরুদ্ধে কোন হুমকি প্রদর্শনমূলক বক্তব্য দেননি। আর প্রচার মাইক বন্ধ করা বা হুমকি দেওয়ার ঘটনা কোন এলাকায় ঘটেনি। এখন পর্যন্ত এ ধরনের কথা আমার কানে আসেনি।’

সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে অন্য দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন, যুব জাগপা নেতা তৌফিক হোসেন (আনারস) ও অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম (জোড়া ফুল)।

এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত হুমায়ুন কবির প্রধান (তালা), কাজী আল তারিক (উড়োজাহাজ), লুৎফর রহমান (টিয়া পাখি); বিএনপি সমর্থিত আব্দুলাহ আল মামুন (টিউবওয়েল), আমিনুল ইসলাম (চশমা)।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩ প্রার্থী হলেন, জাগপা সমর্থিত কাজল রেখা (ফুটবল), বিএনপি নেত্রী কামরুন্নাহার শাহীন (প্রজাপতি), যুব মহিলা লীগের জেলা কমিটির সভাপতি নীলুফার ইয়াসমিন (কলস)।

এ ব্যাপারে পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রির্টানিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ গোলাম আজম বলেন, ‘মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সদর উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়ে। সোমবার তিনি তদন্ত কাজ শুরু ও করেন। তবে মাঠ পর্যায়ে তদন্তে কোন সত্যতা মিলেনি বা কেউ এ ধরনের কথা স্বীকার করেন নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com