,
সংবাদ শিরোনাম :
» « পঞ্চগড়ের উপড় দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত ফেন্ডশিপ পাইপ লাইন হচ্ছে» « মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আসমা ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িতদের ফাসিঁর দাবীতে পঞ্চগড়ে সহপাঠীদের মানববন্ধন» « খরা আর অতিবর্ষনে আমনচাষীরা দিশেহারা» « ঠাকুরগাঁওয়ে চিনি কল কেন্দ্রীয় আখচাষী সমীতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ» « ঠাকুরগাঁওয়ে আবারো সড়ক দুর্ঘটনা; নিহত ১ আহত ১০» « রাণীশংকৈলে আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো জেলা ইজতেমা» « প্রেমিক বাঁধন পুলিশের হাতে আটক; স্বীকারোক্তি ৫ যুবক আসমাকে ধর্ষন করে হত্যা করেছে» « দেবীগঞ্জে তিস্তা নদী হতে নিখোঁজ দুই শিশুর লাশ উদ্ধার স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া» « হরিপুর উপজেলায় ৬নং ভাতুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত» « খুলনার দাকোপের বানীশন্তায় নবযাত্রা প্রকল্পের সহযোগিতায় সুশীলনের আয়োজনে ইন্টারফেইজ মিটিং অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁও গড়েয়ায় নদীর জমি দখল করে মাকের্ট নির্মাণ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়ার পাথরঘাটা নদীর জমি ভরাট করে মাকের্ট নির্মাণ করছে রহিদুল ইসলাম ও আব্দুস সামাদ নামের দুই ব্যক্তিসহ স্থানীয় কয়েক জন। বাজারের পাশ্বে এক মাত্র নদী সংকোচনের কারণে আশে-পাশের বসবাসরত মানুষ গুলো অধিক ঝুঁকিতে বসবাস করছে।গড়েয়া হাটে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিস এসে এই নদীর পানি দ্বারা আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করতো, সরজমিনে গেলে দেখা যায়, পাথরঘাটা নদীটি সরু ও ড্রেনে পরিণত হয়েছে।

গড়েয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার বিপরীত দিকে নদীর জমি দখল করে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করা হচ্ছে।ইতিপূর্বে ঠাকুরগাঁও জেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা লাল ফ্লাগ দিয়ে নদীর সীসানা নির্ধারন করেন কিন্তু কৌশলে লাল ফ্লাগ তুলেদিয়ে আবারও কাজ শুরু করে, মার্কেট নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। রহিদুল ইসলাম এর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে, তিনি ক্যামেরার সামনে বলতে নারাজ ও কিছু না বলেই তিনি মোটরসাইকেল নিয়ে তরিঘরি করে সে স্থান ত্যাগ করেন। অপরদিকে আব্দুস সামাদ বলেন, এটা আমার ক্রয়কৃত জমি, আমার জায়গায় আমি ঘর তুলেছি।অথচ স্থানীয়রা জানান ঠাকুরগাঁও জেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা প্রায় দুই বছর আগে এগুলো ভাঙ্গার নির্দেশ ও লাল ফ্লাগের ঝান্ডা দেন ।

গড়েয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম বলেন, ইতিমধ্যে আমরা ঘটনা স্থলে গিয়ে তাদেরকে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেছি। কিন্তু তা সত্ত্বেও যে তারা নির্দেশ অমান্য করে কাজ চলমান রেখেছে তা আমরা জানতাম না। নদীর যে সীমারেখা আছে তার কোনভাবেই ভরাট করা যাবে না। নদী নদীর অবস্থানেই থাকবে। সার্বেয়ারকে নিয়ে এসে মাপযোগ করে পাথরঘাটা নদীর সীমানা চিহ্নিত করে খাস জমিগুলো দখল মুক্ত করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com